English ছবি ভিডিও
Bangla Font Problem?
শেষ আপডেট ৩:০২ অপরাহ্ণ
ঢাকা, মঙ্গলবার , ২১শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং , ৮ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

আইএসের ‘খিলাফতের’ অবসান

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

মার্কিন সমর্থিত সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস বা এসডিএফ বলছে, বাঘুসে পরাজয়ের মধ্যে দিয়ে ইসলামিক স্টেটের পাঁচ বছরের ‘খিলাফতের’ অবসান হয়েছে।

কুর্দি-নেতৃত্বাধীন বাহিনী এসডিএফ বলছে, সিরিয়ার ছোট্ট একটি গ্রাম বাঘুসে ছিল আইএসের শেষ ঘাঁটি – এবং সেখানে তারা নিজেদের পতাকা উড়িয়েছে।

এসডিএফের মিডিয়া অফিসের প্রধান মুস্তাফা বালি এক টুইট বার্তায় ‘তথাকথিত খিলাফতের সম্পূর্ণ উচ্ছেদ’ এবং ‘আইসিসের দখল করা সব এলাকা শত ভাগ মুক্ত করার’ খবর জানান।

একসময় আইএস-এর শক্তি যখন তুঙ্গে – তখন তারা সিরিয়া এবং ইরাকের ৮৮ হাজার বর্গ কিলোমিটার ভূখন্ড নিয়ন্ত্রণ করতো। আয়তনের দিক থেকে সেটি ছিল ব্রিটেনের সমান।

সেখানকার বাসিন্দা এক কোটি লোকের ওপর তারা জঙ্গি ধর্মীয় রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম করেছিল। তেল বিক্রি, চাঁদাবাজি, অপহরণ এবং ডাকাতি করে তারা শত শত কোটি ডলার আয় করেছিল।

সারা বিশ্ব থেকে হাজার হাজার যোদ্ধা আইএস-এর পক্ষে লড়াইয়ে যোগ দিয়েছিল।

কিন্তু সিরিয়ার সরকারি বাহিনী এবং কুর্দি-প্রধান এসডিএফ বাহিনীর সাথে যুদ্ধে হারতে হারতে তারা শেষ অবস্থান নিয়েছিল পূর্ব সিরিয়ার বাঘুসে। এখন তাদের সেই ঘাঁটিরও পতন ঘটলো।

এসডিএফ আইসএস-এর বিরুদ্ধে চুড়ান্ত লড়াই শুরু করে গত মার্চ মাসে।

কিন্তু সেই অভিযানের তীব্রতা কিছুটা কমে আসে যখন জানা যায় যে আইএস-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বিভিন্ন ভবন, তাঁবু আর সুড়ঙ্গগুলোতে বহু বেসামরিক মানুষ আশ্রয় নিয়ে আছেন।

লড়াই থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য হাজার হাজার নারী ও শিশু সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

বিবিসির সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন, ভূখন্ডের নিয়ন্ত্রণ চলে গেলেও আইএস-কে এখনও বিশ্ব নিরাপত্তার বিরুদ্ধে একটা প্রধান হুমকি বলে মনে করা হয়।

আইএস-এর প্রভাব ঐ এলাকায় এখনও নি:শেষ হয়ে যায়নি।- বিবিসি


জনপ্রিয় বিষয় সমূহ: