Tuesday, 19 Jun 2018
সর্বশেষ খবর
 

উৎপাদন খরচ কমলেও বাড়ছে বিদ্যুতের দাম



উৎপাদন খরচ কমলেও বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

০৭ এপ্রিল ২০১৬: উৎপাদন খরচ কমলেও বিতরণে সমন্বয় আনতেই বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত বিদ্যুৎবিষয়ক মাস্টারপ্ল্যানের আলোচনায় এ কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। এ ছাড়া আগামী তিন বছরের আগে লোডশেডিং থেকে মুক্তির কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও জানান তিনি।

নসরুল হামিদ জানান, বিদ্যুতের দাম বাড়ানো নিয়মিত প্রক্রিয়া। জ্বালানি তেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্তের সঙ্গে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিষয়টি সাংঘর্ষিক নয় বলেও মত তাঁর।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ জেনারেশন (উৎপাদন), ট্রান্সমিশন (প্রেরণ) ও ডিস্ট্রিবিউশন (বিতরণ)—প্রতিটি ধাপে খরচ হয়। তিনি বলেন, “বাড়ি বাড়ি বিদ্যুৎ নেওয়া—এইটাও একটা খরচ। তো, এ দুইটার (ট্রান্সমিশন, ডিস্ট্রিবিউশন) কস্ট তো আর কমে নাই। ওই দুইটাতে আমরা লস দিচ্ছি। যার কারণে এখানে ইনভেস্টমেন্ট বাড়ছে। আমার কার্যক্রমের সাথে একটা রিজনেবল কস্ট (যৌক্তিক মূল্য) হওয়া উচিত বিদ্যুৎটা। আমরা সেদিকে যেতে চাই।”

উৎপাদনের সঙ্গে ঘাটতির বড় ধরনের পার্থক্য না থাকলেও ঢাকাসহ সারা দেশে চলছে লোডশেডিং। উৎপাদন বাড়লেও এমন লোডশেডিংয়ের কারণ হিসেবে এবার প্রতিমন্ত্রী দায়ী করলেন অপরিকল্পিত বিতরণ ব্যবস্থাকে। তিনি বলেন, “যদি প্ল্যানড ওয়েতে (পরিকল্পনা অনুযায়ী) বাড়ত, প্ল্যানড ওয়েতে কানেকশন (সংযোগ) দিলে পরে আর এই ব্যবস্থাটা হতো না। একটা ভালো অবস্থায় বলব না যে আমরা যাচ্ছি। আমরা মনে করি, এখনো আমাদের অনেক পরিবর্তন করা দরকার। এটা (লোডশেডিং) কোপ আপ করতে অ্যাট লিস্ট তিন বছর আরো সময় লাগবে। এটা একটা বড় প্রবলেম।”

ঢাকার বিদ্যুতের তারগুলো পর্যায়ক্রমে মাটির নিচ দিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে বলেও আলোচনা সভা থেকে জানানো হয়।


সর্বশেষ খবর